কার্পেট

সমরেশ মণ্ডল শেষটুকু যখন বুঝে যাওয়া যায় তখন আর কোনও দ্বিধা থাকে না সমস্যা বলে তখন কিছুই হয় না কেবল উজ্জ্বল আলোর নির্দেশে আমাদের ঘরে আসন পাতে  বিলীয়মান কার্পেট যেন পারস্যের দিকে উড়ে যাবার আগেগৃহস্থ সৌরভে থেমে ছিল,বিশ্রামে নেমেছিল প্রধান গৃহে। এ সব নতুন কিছু…

জনপদ

সুমন গুণ চারপাশে সংসারের ভাষা, তাপ উঠছে, জানালায়হঠাৎ উদ্ভিন্ন মুখ অনন্তের দিকে সরে গেল,কোথাও দুপুর থেকে কিছুই তো হল না-র সুর,আসক্ত বাসন কারও হাত থেকে পড়ে গেল, পরিবারময়মধুর পতনশব্দ ধার্য রইল, কোলাহলসহ।#আমি খুব মন দিয়ে, সারাদিন, এইসব ধ্বনির তৈজসসংরক্ষণ করি,…

গুচ্ছ কবিতা – প্রভাত চৌধুরী

১.তালা-লাগানো এবং তালা-খোলার মধ্যবর্তী সময়েযে পাখিটি বসে থাকবে হেমন্তের মগডালেতার পালকে কোনো মধ্যপদলোপী বহুব্রীহিরদ্যাখা পাওয়া যাবে নাএইসব মন-জোগানো কথা বলে বেশিদূর যাওয়া যাবে না, দীর্ঘপথ হাঁটার জন্য সংগ্রহ করতে হবেমনে দাগ কাটার মতো একটি ক্রিয়াবিশেষণএই ধরনের চিত্রনাট্য গ্রহণ করার মতোপ্রযোজক…

কবিতা-বিশ্রামাগার

শুভায়ু দে চার দেওয়ালের একটা ঘর,মাঝে একটা বিশ্রামঠেক।যাদের ঘর নেই,আকাশ টাকে চৌকো হিসাবে ধরতে পারে।চার কোণা স্কাই কালারের ভারচুয়াল দেওয়াল।ফ্লোরে শূন্যতা নামক ফুটপাত অথবা জলপ্রদেশ।নৌকার ছইয়ের দেওয়ালের মাঝে একটা মাঝি বসে।তার পিঠেও রাত্রি নামে,স্পন্ডেলাইটিস এর ব্যাথায়।নক্ষত্র সারারাত খালি পিঠে ট্যাটু…

প্রযত্নে প্রজাপতি

অমর্ত্য বিশ্বাস সাহস বেড়েছে খুবরাতের অন্ধকারে উঁকিঝুঁকি মেরেখুঁজি পরকীয়া প্রেমিকা। কোলাহল শান্ত হলে আবারনিয়ম করে গা ভিজিয়ে নেশায়ঢুলতে থাকা অশরীরী প্রেমনিয়ন আলোয় পথের হদিস করে আমি কেমন পাল্টে যাচ্ছিরোজ…

দৃশ্য

জি কে নাথ তাঁতের ভিতর দুরূহ সান্ধ্য আলোকণা ঝরে পড়া দেখি অল্প শব্দের ভিতর হাঁটা ধারণাপ্রান্তর ঝোলে সুতোর আগায় যাত্রার কথা থেকে মোছা দীর্ঘ ছায়ায় পালায় স্বদেশের শিশুবিন্দু প্রাঞ্জল স্বর সাঁতরে দিনান্তের দূরে নেমে যাই মৃদুলিঙ্গভঙিমা হেঁসে ওঠে, ঋতুরফেনায় ফুরানো যোগাযোগ চনমন…

না লেখা চিঠি- ১

নিসর্গ নির্যাস মাহাতো প্রেম তুমি বিশ্বাস হয়ে ঝরে পড়ো শরীরে এঁকে দিও স্বরলিপি- সুর একতারা তুলে নিয়ে সুর বাঁধো তাতে রাগ ভুলে রাগ ধরোস্মৃতির আলাপে

শুভ জন্মদিন

কৃপা বসু প্রতিবছর এক একটা জন্মদিন আসে, আর আমার ব্যক্তিগত ক্যালেন্ডারে এক একটা ব্যর্থতার তারিখ জমা হয়…. আমার আয়নায় অল্প অল্প করে ধুলো জমে, আমার কপালে স্বপ্ন ভাঙার ভাঁজ স্পষ্ট হয়, চোখের তলা একটু বেশি কুঁচকে যায়, যেন কোনো ইস্তিরি…

ট্র‍্যাভেল চ্যাট

নিলয় নন্দী রাজশ্রীর নাম রেখেছি জুন। রাজশ্রী কে, না জানলেও চলবে। আর জুন, লাভার রাস্তায় হঠাৎ জলতরঙ্গ।  অঞ্জন যেভাবে জুনের সঙ্গে কথা বলছে, হাঁটছে, কুয়াশাধাবায় চা আর ডিভোর্সি সংলাপে মুখ ডুবিয়ে নিচ্ছে, বা অপলক নৈঃশব্দে…. আমি সেভাবে রাজশ্রীর সাথে কখনো হাঁটিনি।…